Sokaler Hasi
Lifestyle

ফুলকপির উপকারিতা কি কি?

ফুলকপি শীতকালীন সবজি হিসেবে পরিচিত। এটি দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনি পুষ্টিকরও। অনেকেই ফুলকপি রান্না করে খেতে পছন্দ করেন । এটি শুধু তরকারি রান্না হিসেবেই নয়, মজাদার পাকোড়া কিংবা নুডলস, পাস্তার সঙ্গেও ব্যবহার করা যায়।ফুলকপির রয়েছে বেশকিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা। চলুন সেগুলোই জেনে নিই –

ফুলকপি ক্যান্সারের জীবাণুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সক্ষম। স্তন ক্যানসার, কোলন ও মূত্রথলির ক্যান্সারের জীবাণুকে ধ্বংস করে এই সবজি। ক্যান্সারের জীবাণুকে দেহ থেকে বের করে দেওয়ার জন্য ফুলকপির রয়েছে যথেষ্ট অবদান।

ফুলকপিতে উপকারী যৌগ কোলাইন থাকে। কোলাইন একটি বি ভিটামিন। এটি মস্তিষ্কের উন্নয়নে সাহায্য করে। প্রেগনেন্সির সময়ে ফুলকপি গ্রহণ করলে ভ্রূণের মস্তিষ্কের গঠনে সাহায্য করে।

শীতের সুস্বাদু সবজি ফুলকপির আরও একটি অন্যতম গুণের একটি হল রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা। যারা ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপজনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন, তারা ফুলকপি খাবারের তালিকায় রাখতে দ্বিধা করবেন না।

ফুলকপিতে ভিটামিন সি, বিটাক্যারোটিন, কায়েম্ফেরোল, কোয়ারসেটিন, রুটিন, সিনামিক এসিড সহ আরো অনেক উপাদান থাকে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো ফ্রি র্যাডিকেলের ক্ষতির হাত থেকে শরীরকে সুরক্ষা দেয়। এগুলো বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ধীর গতির করে এবং টিস্যু ও অঙ্গের ক্ষতি হওয়া প্রতিহত করে।

ঘনঘন কম ক্যালোরি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া ওজন হ্রাসের সঙ্গে যুক্ত। ফুলকপির যে বৈশিষ্ট্যগুলো ওজন হ্রাসে সাহায্য করতে পারে, প্রথমত প্রতিকাপে মাত্র ২৫ ক্যালোরি। তাই আপনি ওজন অর্জন না করেই প্রচুর পরিমাণে এটি খেতে পারেন। এটি উচ্চ-ক্যালোরিসমৃদ্ধ খাবারের (যেমন চাল এবং আটা) বিকল্প হিসেবেও কাজ করতে পারে। 

চোখের যত্নে ফুলকপির কোন তুলনা হয় না। কারণ ফুলকপির ভিটামিন এ উপাদান চোখের সঠিক দেখভাল করার জন্য যথেষ্ট। তাই চোখকে সুস্থ আর সুন্দর রাখতে ফুলকপি বেশি বেশি করে খাওয়া উচিত।

তাই শরীর সুস্থ রাখতে শীতকালে প্রতিদিনের সবজির তালিকায় ফুলকপি রাখুন। বিভিন্ন রোগ থেকে দূরে থাকুন।

Related posts

কমলার যত উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ

admin

চাল কুমড়ার উপকারিতা

admin

লিচুর যত পুষ্টিগুণ

admin

Leave a Comment